Translate

Wednesday, March 30, 2016

চোরের রাজা সাইফুরস-এর শেষ দেখে ছাড়ব: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের
টাকা চুরির (হ্যাকিং) এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে
সাইফুরস-এর ‘বিভ্রান্তিকর’ বিজ্ঞাপন প্রচার
প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ
বলেছেন, ‘চোরের রাজা, যিনি চোরামি
শেখাতে চান, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কী হবে? এ
দেশের আইন কী বলে? আমরা এর শেষ পর্যন্ত
দেখে ছাড়ব।’
মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধানকে ‘চোরের রাজা’ আখ্যা
দিয়ে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তার
মাথায় এতো জ্ঞান..., সেই লোকটাকে আদর্শ
হিসেবে ধরে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। ডাক্তার,
ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, হ্যাকার- সব এক মাপে
নিয়ে বলেছেন, আমার কাছে আসো হ্যাকিং
ভালো করে শিখে যাও!’
মন্ত্রী বলেন, ‘চিন্তা করতে পারছেন, ডাক্তার-
ইঞ্জিনিয়ার-গবেষক-হ্যাকার সবাইকে এক
সারিতে নিয়েছেন। বলে গেছেন, এটার জন্য
আমার বিরুদ্ধে কতো কোটি টাকা খরচ করবেন।
আমার তো এক পয়সাও নাই, বিনা পয়সায় জীবন
কাটিয়ে এসেছি, আর মরবার সময় কোটি কোটি
টাকার ভয়...।
নাহিদ বলেন, ‘এজন্য বলি, শুধু জ্ঞান অর্জন করলে
হবে না, ভালো মানুষ হতে হবে। জনগণের প্রতি
দরদী হতে হবে। তবেই সে জনগণের কল্যাণে,
দেশের কল্যাণে, দেশের উন্নয়নে যাবে, নিজেও
স্বার্থক হবে। না হলে সে চোর হবে, ধরা পড়বে,
সর্বনাশ হবে, আল্টিমেটলি বাঁচতে পারবে না।’
‘প্রলোভন দিয়ে যদি হ্যাকিং শিখি, এই যদি
বিজ্ঞাপন দিতে পারে, কে বিজ্ঞাপন ছাপালো,
কে প্রচার করলো, মানুষ কেন প্রতিবাদ করলো
না?’, যোগ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ে
সাইফু’স এর রমরমা কোচিং ব্যবসা, বেআইনি।
আমরাই বেআইনি করেছি, কিন্তু আমার তো শক্তি
নাই। শক্তি নাই কেন, এখনই চাইলে একদল ছাত্র
নিয়ে ভেঙে-গুঁড়িয়ে দেবো। আমরা সে পথে
যাবো না। হাইকোর্ট রায় দিলেও পারি না।’
নাহিদ আরও বলেন, ‘এটা সমাজ! তিনি নাকি
শিক্ষক ছিলেন, ব্যবসা করার জন্য ছেলে-
মেয়েদের প্রলোভন দেখাচ্ছেন, ভালো হ্যাকার
হতে পারবে, ইংলিশ শিখলে আসো আমার কাছে,
শেখো। আমরা মামলা করছি, আপনাদের
প্রতিক্রিয়া সবার কাছে জানতে চাই।’
সে সময় মঞ্চে উপস্থিত বিশেষ অতিথি
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ অতিথি এবং
উপস্থিত দর্শক সারিতে সবাই হাততালি দিয়ে
মন্ত্রীকে সমর্থন জানান।
অনুষ্ঠানে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক
নীলুফার আহমেদ, এথিক্স অ্যাডভান্সড
টেকনোলজি লিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা
পরিচালক এমএ মুবিন খান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে হ্যাকার বানানোর প্ররোচনা দেওয়ায় গত
২৩ মার্চ সচিবালয়ে সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল
ইসলাম নাহিদ কোচিং সেন্টারটির বিরুদ্ধে
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। সাইফুর’স এর
বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় একটি সাধারণ
ডায়েরিও করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ
ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি এবং একটি
শব্দের বানান ভুলে ২ কোটি ডলার রক্ষা পাওয়ার
ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশের পর
একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেয় সাইফুরস।

wWw.FB.Com/mNews24

তনু হত্যাকান্ড ফরেনসিক ডিএনএ নমুনা সংগ্রহে ৯ দিন পর লাশ তুলে নিল সিআইডি


মোঃ আলাউদ্দিন মুন্সী (আলাল)

ফরেনসিক ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য নিহত তনু’র লাশ কবর থেকে তুলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে সিআইডি।
তনু হত্যার ৯ দিন পর বুধবার বেলা ১১টায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু’র লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। তনু’র লাশ উত্তলনের সময় সিআইডির ক্রাইমসিন ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরী ইউনিটের সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কুমিল্লা পুলিশ, সিআইডি ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৮ মার্চ মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ, সুরতহাল তৈরি ও পুনঃময়নাতদন্ত করতে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন কুমিল্লার একটি আদালত। তনু হত্যা মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি একেএম মনজুর আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।
লাশ উত্তোলনের সময় ঢাকা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন, এ কাজে দায়িত্ব পাওয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কুমিল্লা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার, তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ও বড় ভাই নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সকাল সাড়ে ১০ টার কিছু পরে তনুর কবরের চারপাশ কাপর দিয়ে ঢেকে দেয় পুলিশের সদস্যরা। পরে সিআইডির নো এন্ট্রি লিখা ব্যারিক্যাড দেয়া হয় চার দিকে। কুমিল্লা জেলা পুলিশ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সিআইডি ও একাজে সম্পৃক্ত ব্যাক্তিরা ছাড়া করস্থানে ২শ গজের মধ্যে কাউকে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। প্রায় এক ঘন্ট কবর থেকে লাশ উত্তলন করে জরুরী সকল কাজ শেষে করে তনু’র অর্ধ গলিত মরদেহ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের উদ্যেশে রওনা দেয় পুলিশের কর্মকর্তারা। কুমিল্লা কবরস্থানের পাশে মাঠে একটি সামিয়ানা টানানো হয়। সেখানে প্রশাসনের লোকজন অবস্থান করেন। সকাল থেকে কবরস্থানের পাশে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। তাদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের বেগ পেতে হয়।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেন সাংবাদিকেদর বলেছেন, ‘তনু হত্যার সঠিক বিচারের জন্য লাশ উত্তোলন করা হচ্ছে বলে প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে। আমি মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার চাই।’
কুমিল্লার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, লাশ উত্তোলন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হবে। অধিকতর আলামত সংগ্রহের পর সেখান থেকে আজই আবার লাশ এনে আগের কবরে দাফন করা হবে।

Tuesday, March 29, 2016

রিজার্ভ চুরির তদন্ত সব কর্মকর্তার ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশ কাজে স্থবিরতার আশঙ্কা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮০০ কোটি টাকা চুরির পর দেশে-বিদেশে তদন্তে নেমেছে বিভিন্ন সংস্থা। এর অংশ হিসেবে গতকাল ব্যাংকের সব কর্মকর্তার ল্যাপটপ আইটি অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্টে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং অ্যাকাডেমি ও শাখা অফিসের সব কর্মকর্তার ল্যাপটপ সংশ্লিষ্ট অ্যাকাডেমি বা অফিসের আইটি সেলে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ল্যাপটপ জমা দেয়ার জন্য সময় দেয়া হয়েছে মাত্র দুই দিন। অর্থাৎ আগামীকাল বুধবারের মধ্যে ল্যাপটপ জমা দিতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে এ ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের চলমান তদন্তের স্বার্থে ব্যাংক সব কর্মকর্তার ল্যাপটপ সংগ্রহ করে সিকিউরিটি এজেন্ট ইনস্টল করে নেটওয়ার্ক চলমান করা প্রয়োজন। এ জন্য সব কর্মকর্তাকে ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রত্যেক কর্মকর্তার ল্যাপটপ ফেরত দেয়া হবে।
জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তার ল্যাপটপ রয়েছে। হঠাৎ ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। তাদের মতে, তদন্তের নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অক্ষম করা হচ্ছে। কর্মস্পৃহা নষ্ট করা হচ্ছে। এতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা গতকাল নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংককে শতভাগ ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। তদারকি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কার্যত দেশের ৫৬টি ব্যাংক ও ৩২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিবিড় সংযোগ রয়েছে। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। ওইসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সরবরাহকৃত তথ্য পর্যালোচনা করে থাকে। কোনো তথ্যে আর্থিক অসঙ্গতি দেখা দিলে, সে অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর তদারকি করা হয় এবং প্রয়োজনে ব্যাংকগুলোকে জরিমানা করা হয়। আগে এসব কাজ করা হতো ম্যানুয়ালি অর্থাৎ ব্যাংকগুলো তাদের আর্থিক প্রতিবেদন কাগজের ফাইলে জমা দিত। গত ২০০৯ সালের মাঝামাঝি থেকে এটা অনলাইননির্ভর করা হয়। অর্থাৎ এখন আর কাগজে আর্থিক প্রতিবেদন ব্যাংকগুলো জমা দেয় না, জমা দেয়া হয় অনলাইনের মাধ্যমে।
এ ছাড়া ডিজিটালাইজেশনের আওতায় সরকারের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও গ্রাহকের মূল টাকা অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে গ্রাহককে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে আসতে হতো। এখন ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে মুনাফা পাচ্ছেন সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকেরা। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহেই সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। আর এসব ঋণের নিলাম ডাকা হয় অনলাইনের মাধ্যমে। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরো কার্যক্রমই এখন অনলাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এসব কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রায় দেড় হাজার ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও তাদের কার্যক্রমে এখন ল্যাপটপনির্ভর হয়ে পড়েছেন।
এমনি পরিস্থিতিতে তদন্তের নামে ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশনায় হতবাক হয়েছেন অনেক কর্মকর্তা। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডস), ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগ, মনিটারি পলিসি বিভাগ, ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর কার্যক্রম পুরোপুরি কম্পিউটারনির্ভর হয়ে পড়েছে। এসব বিভাগের কর্মকর্তারা অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কারণ, কোনো এক সপ্তাহের কাজ পিছিয়ে গেলে পুরো মাসের কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া দিনের কাজ দিনেই যেখানে অনেক সময় শেষ করা যায় না, অনেকেই বাসায় গিয়েও ল্যাপটপে অফিসের কাজ করেন এ অবস্থায় কম্পিউটার জমা দিলে কবে তদন্ত শেষ হবে, আর কবে তারা কম্পিউটার ফেরত পাবেন এ আশঙ্কায় ভুগছেন কর্মকর্তারা।
এ দিকে, এর আগে হঠাৎ করে সিকিউরিটির নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ভারতের নাগরিক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত আইটি কনসালট্যান্ট রাকেশ আস্তানার মৌখিক পরামর্শে তারই সরবরাহকৃত সিকিউরিটি প্যাচ নামক একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই প্রথমে তথ্য পাচার হওয়ার আশঙ্কায় এটা ইনস্টল করেননি। কিন্তু পরে বাধ্য হয়ে ইনস্টল করেছেন। এখন আবার ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশনায় একই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে কর্মকর্তাদের মধ্যে।
সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি হওয়ার পর এমনিতে তদন্তের নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাকে নাজেহাল করা হচ্ছে। এতে প্রায় সব বিভাগের কাজকর্মে স্থবিরতা নেমে এসেছে। অনেকেই শুধু হাজিরা দেয়ার জন্য অফিসে আসছেন। নতুন করে ল্যাপটপ জমা দেয়ার নির্দেশনায় অনেক কাজ বাধাগ্রস্ত হবে। বিষয়টি নতুন গভর্নর ফজলে কবিরের দৃষ্টিগোচর করার জন্যও অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
 
 wWw.FB.Com/mNews24